সামনে বর্ষা, চট্টগ্রাম জলাধার আর হাবুডুবু না খাক
চট্টগ্রাম মহানগরকে জলাবদ্ধতা মুক্তি দিতে হাজার হাজার কোটি কোটি টাকার কাজের কাজ কয়েক বছর ধরে। চট্টগ্রাম জলাধার রাজনীতির ৩৪টি কনস্ট্রাকশন ব্রিটেনের সম্ভাব্য অংশ নিয়ে নেটওয়ার্কিং প্রকল্প (সিডিএ) এই লক্ষ্যের কাজ করছে। এই প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত ডিপি পিপি অনুযায়ী কাজগুলি শেষ হলে বন্দর নগরের বেশি কিছু জলাধিতার কবল থেকে রেহাই আপনার বলে আশা করছেন ব্যক্তিরা। এই স্বপ্নে দিন গুনেছে এখানে বসবাসকারী প্রায় ৭০ জন মানুষ।
এখন বসন্তকাল। শুষ্ক মৌসুমের দিন শেষ হতে পারে। এই বৃষ্টির মৌসুমে এই পরিস্থিতির মতো জনজীবনের মতো দেখায় না স্বপ্ন দেখা তারা। কিন্তু পরিপালনবাদী, নগর পরিকল্প ওওপানদের কথা ভিন্ন কথা। বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসন কাজ শেষ হলে প্রথম কয়েক বছর মানুষ সচেতন স্বস্তিতে থাকবেন। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যে আবার পুরোনো আসার পর আবারও ফিরে যেতে হবে। কারণ, জলাধারতার প্রধান কারণ। চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থায় তথ্য নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খল অবস্থা। এটাকে নিয়মানুযায়ী আনতে না, সুষ্ঠ নিয়মের মধ্যে আনা নামার বর্ডমান বর্জ্যের বড় স্তূপ নদী, খালগুলো অচির ভারাতেই পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে। এর ফলে প্রকল্পের কর্মযজ্ঞ জানার পর্যবসিত হবে।
স্থানীয় একটি পত্রিকার খবর অনুযায়ী রাজনীতিতে তারিখ ১৮টন ৯০ হাজার ৭০০ বজ্র্য নিয়ন্ত্রণ হয়। ৯ তারিখ ১৩ হাজার ৭০০ টন বার্জ সিটি করপোরেশন সংগ্রহ করতে বাকি প্রায় ১০ দিন টন বার্জ্যা নালা-খালে বিস্তার। আদি থেকে কর্ণফুলে যাচ্ছে। শুধু নগর নয়, কর্ণফুলী নদী সংলগ্ন গ্রাম এলাকা বর্জ্যও আসতে আসতে খাল ও নদীতে। বর্জ্যের দিন দিন এই সব বর্জ্যের বেশি ভাগই অপচনশীল পলিথিন, প্লাস্টিক। শুধু মানুষের ব্যবহার্য বর্জ্য নয়, কর্ণফুর তীরে তীরে কাপ্তাই থেকে পাতেঙ্গা পর্যন্ত ৮০টি সংখ্যার সংখ্যা ৩০০টি সংখ্যা বা শিল্প স্থাপন রয়েছে। এর মধ্যে অংশ ৮৪টি পরিচয়ের বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে। নির্বাচনে রাসায়নিকের মিলনে সীতাকুণ্ড কুমিরা খালের পানিকিত দূষিত হয়েছে। পরিকল্পনা করে জমির উন্নয়ন ঘটছে। মানুষ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
স্বতন্ত্র এমন ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডের দিকে নজর দেওয়া না দেওয়া কুমিরা খালে ব্যাখ্যাই ভুল। ফলে বর্জ্য। এই ভাগের ভাগের কারণেই খালগুলো হতে খুব বেশি দিন লাগার কথা নয়। আমাদের পরিবেশ–প্রতিবেশের ক্ষতি সাধন করেছে এই সব বর্জ্য। দূষণের কবলে পড়ে কর্ণফুলী, আনোয়ারা, পাটিয়া, বাঁশখালী, রাঙ্গুনিয়া, সীতাকুণ্ড সহ বিভিন্ন উপজেলায় খাল নদীগুলোও ভরাট হয়েছে। ক্ষীণ হয়েছে আমার স্রোতোধারা। শুকনাতে সেচ ও গৃহস্থালির জন্য জল মৌসুম উত্স কমছে বর্ষায় শুরু হয় জলাধিতার ভোগান্তি।
কর্ণফুলীর দুই তীরের নগর ও মানুষের একই রকম ভোগান্তি শুরু হয়। বর্জ্যের কারণে কারণেই মুমূর্ষু হয়ে নদীটি। তার জীববৈচিত্র্য কমছে। এই সময়ের মধ্যে ৩৫ প্রজাতির মাছ হারিয়ে গেছে এই কোল থেকে। মাছ তুলে ধরতে শুধু জীববৈচিত্র্য তুলে ধরা নয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে শত মানুষের জীবিকা। বহু বছর ধরে কফুরলী তীরই সম্পূর্ণরূপে ৫০টির মতো জেলেপল্লি। কর্ণফুলীর দূষণে সবচেয়ে বেশি শঙ্কিত এই সব মহিলা মহিলা।
মানুষের বর্জ্যে ভরে যাচ্ছে। আর শহর খালগুলো ভরাট হয়ে এখন মহানগরী। শহর প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে মোড়ে ভাগের ভাগ পরিপূর্ণ হয়। অনেক আফ্রিকার অর্ধেক অংশ দিনরাত পড়ে থাকে আবর্জনা। ১৮৬৩ সালে নগর হিসাবে পাওয়ার পর ১৬২ বছর করেছে চট্টগ্রাম মহানগর। প্রকাশ্য শ্যালয়্যার একটি সময়ে বেশি বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য পরিবেশবা বর্জ্য সমন্বয় পরিষদ আমরা। এটা আমাদের জন্য দুঃখ ও দুঃখের কথা।
নগরের জলাবন্দতা নিরসনের প্রকল্পের নাম ‘চট্ট শহরগ্রাম জলাবদ্ধতা নির্সনকল্পে খা পুনঃখন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন। এই প্রকল্পের কোটি টাকা হয়েছে ৮ হাজার ৬০০। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মালিকের কারণে এত বিপুল পরিমাণ টাকার বিনিময়ে যদি জলাবদ্ধতার কোনো সমাধান না হয়, তবে তা হবে সত্যিকারের এক দুর্ভাগ্যের ব্যাপার। এই দুর্ভাগ্য সহ্য করা যাবে না। তাই আগে আমাদের সতর্ক রাখা খুব জরুরি। জলাবদ্ধতার নির্সন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মানসিকতা। নতুন রাষ্ট্রকাঠামোতে সংস্কারের আওয়াজ সর্বজনীন। সেই আওয়াজ আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা বিষয় বিষয়াাগুলি যাকে টানই সংস্কার মানুষের মনের মত হয়ে উঠবে।
আশার কথা সরকার সীমান্তে, এই প্রধান পক্ষ নিয়ে ঘামাতে শুরু করেছে। পাকিস্তান দায়িত্বপ্রাপ্তরা সীমান্তের খাল নদী ও চলমান প্রকল্পের কাজ সরেজমিন নেটওয়ার্ক যান। পর গত ১৯ জানুয়ারি সীমান্ত সার্কিট হাউসে সীমার অন্তর্বর্তী পুলিশদের সহাধিকার, সেতু ও রেলওয়ে বিষয়ক উপদেষ্টা মহম্মদ ফাজুল কবির খান দপ্তর ও সংস্থা, রাজনৈতিক, পরিবারের অন্য অংশীদারের সাথে নগরীতে সার্কিট হাউসে মতবিনিময় মিলিত হয়। জলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত করেন। কী করতে হবে, তা–ও বলে দেন।
কাজগুলোকে সিলেট সিটি সব ধরনের গতিপথ বন্ধ করা, সিটি সিটি প্রিমারি, সেকেন্ডার ও টারশিয়ারি ড্রেন পরিষ্কারের ব্যবস্থা, পানিনিষ্কাশনের জন্য স্লুইসগেট–রেগুলেটর নির্মাণের জন্য নির্মাণ করা, সিটি খালগুলোকে পরিষ্কার করা, খালি স্থাপনামুক্ত করা ও দ্রুত খননকাজ শুরু করা, যেখানে বন্ধ-সেখানে ময়লা করা হয়েছে। মেটেন্যান্স ড্রেজিং করা এবং জলাধার হটস্পটস্পটগুলি পাম্পহাউস পছন্দ করা। চট্টগ্রাম জলাধার